রিভিশনিষ্ট পর্যবেক্ষনে নবী মুহম্মদ:
ফেসবুক ও ব্লগের দৌলতে মুহম্মদের জীবনী এখন কমবেশী প্রায় সবারই জানা। নিশ্চয়ই আর তা নতুন করে বলার কিছু নেই। দ্বিতীয় পর্বে ইসলামী বিবরণের একটা ছোট রূপরেখা দেওয়া আছে। অপরপক্ষে রিভিশনিষ্ট পর্যবেক্ষনে আমরা যে চিত্র পাই তা সম্পূর্ণভাবে আলাদা। আমরা এর আগের তেরোটি পর্বে দেখেছি-
মধ্যযুগ হল জ্ঞান-বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বন্ধা যুগ। এইসময় ধর্ম প্রায় পুরো দুনিয়ার দখল নিয়ে নেয়। সব ধর্মই আসলে ঠারে ঠারে বলতে চায়- ‘ব্রহ্ম সত্যং জগন্মিথ্যা’ (‘ব্রহ্মই সত্য, জগৎ মিথ্যা)- তাদের কল্পিত ঈশ্বর, তাদের চাপিয়ে দেওয়া নৈতিকতা, তাদের নির্দেশিত অনুষ্ঠানাদির বাইরে আর সব মিথ্যা। এ ব্যপারে অষ্টম শতকের শঙ্করাচার্য আদপেই একা নন। ধর্মের ব্যাপক প্রভাবের কারণে মধ্যযুগে যে কোন রাজনৈতিক চিন্তাকে ধর্মীয় ভেক নিয়ে আসতে হত। ধর্মের মূলো ছাড়া গোটা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করা ছিল অসম্ভব। ইসলামের উদ্ভব ও বিস্তারের রাজনৈতিক প্রনোদনা নিয়ে সিরিয়াস গবেষনা খুব কমই হয়েছে। যা দু একটা হয়েছে তার ঐতিহাসিক ভিত্তি খুবই দুর্বল। ফলে আমরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর মত অবস্থায় নেই। তবে কিছু যৌক্তিক আন্দাজ অবশ্যই করা সম্ভব।
আধুনিক যুগের আগে প্রতিটি রাষ্ট্রের স্থাপনা হত নির্দিষ্ট ধর্মতত্বের ভীত্তিতে। রোমান সাম্রাজ্য যেমন যেমন প্রসারিত হয়েছিল, রোমান দেবদেবীদের আরাধনা তেমন তেমনই ছড়িয়ে পড়েছিল। আবার মধ্যযুগের ইউরোপে মূল ক্ষমতাকেন্দ্র ছিল ক্যাথলিক চার্চ। শত অনৈক্যের মধ্যেও পোপতন্ত্র ইউরোপে ক্ষমতার ভারসাম্য ধরে রেখেছিল। পোপ যে কাউকে এমনকি যে কোন সম্রাটকে ধর্মত্যাগী বলে ঘোষনা করতে পারতেন। পোপের এই ঘোষনার পর সেই রাজার পতন অনিবার্য ছিল। ক্যাথলিক চার্চের এই বিপুল ক্ষমতার পিছনে থাকত ইউরোপের মানুষের খৃষ্ট ও বাইবেল বিশ্বাস, চার্চের সিদ্ধান্তকে ঈশ্বরের সিদ্ধান্ত হিসাবে মান্যতাদান।
আরবরা যখন সপ্তম শতকে রোমানদের তাড়িয়ে প্রথমে মধ্যপ্রাচ্য ও তার কিছুদিন পরে উত্তর আফ্রিকা জয় করল তাদের সামরিক শক্তি যথেষ্ট থাকলেও কোন রাজনৈতিক ধর্মদর্শন (political Theology) ছিল না। রাজনৈতিক ধর্মতত্ব মধ্যযুগে সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখার আবশ্যিক উপাদান হিসাবে পরিগণিত হত। খিলাফৎ প্রতিষ্ঠার প্রথম দিন থেকেই অভ্যান্তরীন অন্তর্দন্দ্ব ছিল নিত্যসঙ্গী। ইসলামী বিবরণেই দেখা যায় আদব আল-মালিকের আমলে হেজ্জাজের আধিপত্য চলে যায় বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হাতে। তার সাথে ছিল বর্হিশত্রুর আক্রমনের আশঙ্কা। কারণ বাইজানটাইন সাম্রাজ্য দুর্বল হলেও গেলেও তা ধংস হয়ে যায় নি। খিলাফতের প্রজাদের মধ্যে বেশীরভাগই ছিল ক্যাথলিক খৃষ্টান, তাদের স্বাভাবিক আনুগত্য ছিল বাইজানটাইন সাম্রাজ্যের প্রতি। কারণটা খুব সোজা- বাইজানটাইন সম্রাট হলেন খৃষ্টীয় ঈশ্বরের প্রতিনিধি; তার অনুগত হওয়া প্রত্যেক সৎ খৃষ্টানের কর্তব্য। সাম্রাজ্যের পূর্ব অংশে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল পারস্যের অগ্নি উপাসকদের। তাদেরও ছিল নিজস্ব রাজনৈতিক ধর্মদর্শন: জরাথুষ্ট্রবাদ। সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখতে গেলে খলিফাদেরও অনুরূপ একটি ধর্মের মূলো প্রয়োজন ছিল। শুধু অনুরূপ ধর্ম হলেই চলত না এই নতুন ধর্মকে ক্যাথলিক খৃষ্টধর্ম ও জরাথুষ্ট্রবাদের থেকে অধিক আগ্রাসী, অধিক আত্বসচেতন, অধিক একেশ্বরবাদী হতে হত।
ঐতিহাসিক উৎসে মুহম্মদের উল্লেখ অনির্দিষ্ট এমনকি পরস্পরবিরোধীও। এর থেকে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা কঠিন। ঘটনা যাই হোক না কেন মনে হয় সপ্তম শতাব্দীর শেষ দিক থেকে উমাইয়ারা এই যুদ্ধবাজ নবীকে সামনে আনতে শুরু করে। কারণ সাম্রাজ্য রক্ষায় ধর্মের গুরুত্ব ততদিনে তাদের সামনে পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল। এই নতুন ধর্মের কেন্দ্রীয় চরিত্রকে যুদ্ধবাজ হতেই হত কারণ তা ছাড়া খলিফাদের সম্প্রসারণবাদী রাষ্ট্রনীতির কোন বৈধতা দেওয়া যেত না। খিলাফতের মূল শক্তি ছিল আরব উপজাতিরা-যারা সম্ভবত কোনরকম শিথিল খৃষ্টধর্মের সাথে যুক্ত ছিল, দ্বাদশ পর্বে এই খৃষ্টধর্মের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। অতএব নবীর আরব উপজাতি পরিচয় ছিল আবশ্যিক, তাকে অবশ্যই মরুভূমির বহু ভিতরের কোন এক অঞ্চলের বাসিন্দা হতে হত। কিংবদন্তী ইতিমধ্যেই তৈরী হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু পূর্নাঙ্গ ধর্ম হিসাবে গৃহীত হতে গেলে দরকার ছিল বাইবেলের মত একটি ধর্মগ্রন্থ। এইজন্যই কোরানে বারবার সম্পাদনার চিহ্ন পাওয়া যায়। পুরাতন খৃষ্টীয় স্তোত্তকে নবীন কিংবদন্তীর সাথে মিলিয়ে নিতে যে যথেষ্ট কসরত করতে হয়েছিল তাতে কোন সন্দেহই নেই।
ফেসবুক ও ব্লগের দৌলতে মুহম্মদের জীবনী এখন কমবেশী প্রায় সবারই জানা। নিশ্চয়ই আর তা নতুন করে বলার কিছু নেই। দ্বিতীয় পর্বে ইসলামী বিবরণের একটা ছোট রূপরেখা দেওয়া আছে। অপরপক্ষে রিভিশনিষ্ট পর্যবেক্ষনে আমরা যে চিত্র পাই তা সম্পূর্ণভাবে আলাদা। আমরা এর আগের তেরোটি পর্বে দেখেছি-
- প্রচলিত বিবরণে মুহম্মদের মৃত্যুকাল ৬৩২ খৃষ্টাব্দে ধার্য করা হয়েছে। অথচ একটি খৃষ্টীয় নথিতে আমরা এক আরব নবীর উল্লেখ পাই যিনি অন্তত ৬৩৪ খৃষ্টাব্দ পর্যন্ত্য সক্রিয় ছিলেন
- সপ্তম শতাব্দীর কোন ঐতিহাসিক বিবরণে আরবদের (অর্থ্যাৎ এই নবীর অনুগামীদের) মুসলীম বলা হয়নি। বলা হয়েছে সারাসেনীয়, ইসমেলাইট, হাজারীয় ইত্যাদী
- আরব বিজেতাদের যে সর্বপ্রাচীন মুদ্রা পাওয়া যায় তাতে বিসমিল্লাহ নেই। পরের দিকে দু একটিতে মুহম্মদ-শব্দটি থাকলেও ওই শব্দটি কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে সেটা অনিশ্চিত। বিস্তারিত পঞ্চম পর্বে আলোচনা করা হয়েছে।
- অন্তত দুটি মুদ্রা আমরা পেয়েছি যেখানে মুসলিম শাসককে ক্রসবহনরত অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। তৃতীয় পর্বে ছবি দেওয়া আছে
- নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক উপাদান থেকে দেখা যাচ্ছে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম দশকের আগে কোরান প্রচলিত হয়নি। এমনকি সে কোরানও আজকের প্রচলিত আকারে ছিল না।
- ইসলামিক বিবরণগুলি এত পরের যে তাতে আস্থা রাখা মুশকিল। প্রথম ব্যাপকভাবে প্রচলিত হাদিস সংকলন প্রকাশিত হয় মুহম্মদের কথিত সময়কালের অন্তত ১৪ দশক পরে। প্রথম সিরাত গ্রন্থ লেখা হয় ১২৫ বছর পরে।
- আবদ আল মালিকের আমল থেকে আমরা ইসলামের নবী মুহম্মদের উল্লেখ পেতে শুরু করি। এইসময় থেকেই হাদিসের প্রচলন শুরু হয়, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রনোদনা ছিল সম্পূর্ণ রাজনৈতিক।
- কোরান বিশেষজ্ঞ স্ক্রিস্তোফ লুক্সেমবার্গ আর রিচার্ড বেল কোরানে একাধিক সম্পাদনার চিহ্ন আবিস্কার করেছেন।
- পরিশেষে ১২ তম পর্বে এসে আমরা আরেকজন কোরান বিশেষজ্ঞ গান্টার লুলিং এর গবেষনার সাথে পরিচিত হয়েছি। খৃষ্টধর্ম ও ইসলামের অভ্যান্তরীন সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে।
মধ্যযুগ হল জ্ঞান-বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বন্ধা যুগ। এইসময় ধর্ম প্রায় পুরো দুনিয়ার দখল নিয়ে নেয়। সব ধর্মই আসলে ঠারে ঠারে বলতে চায়- ‘ব্রহ্ম সত্যং জগন্মিথ্যা’ (‘ব্রহ্মই সত্য, জগৎ মিথ্যা)- তাদের কল্পিত ঈশ্বর, তাদের চাপিয়ে দেওয়া নৈতিকতা, তাদের নির্দেশিত অনুষ্ঠানাদির বাইরে আর সব মিথ্যা। এ ব্যপারে অষ্টম শতকের শঙ্করাচার্য আদপেই একা নন। ধর্মের ব্যাপক প্রভাবের কারণে মধ্যযুগে যে কোন রাজনৈতিক চিন্তাকে ধর্মীয় ভেক নিয়ে আসতে হত। ধর্মের মূলো ছাড়া গোটা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করা ছিল অসম্ভব। ইসলামের উদ্ভব ও বিস্তারের রাজনৈতিক প্রনোদনা নিয়ে সিরিয়াস গবেষনা খুব কমই হয়েছে। যা দু একটা হয়েছে তার ঐতিহাসিক ভিত্তি খুবই দুর্বল। ফলে আমরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর মত অবস্থায় নেই। তবে কিছু যৌক্তিক আন্দাজ অবশ্যই করা সম্ভব।
আধুনিক যুগের আগে প্রতিটি রাষ্ট্রের স্থাপনা হত নির্দিষ্ট ধর্মতত্বের ভীত্তিতে। রোমান সাম্রাজ্য যেমন যেমন প্রসারিত হয়েছিল, রোমান দেবদেবীদের আরাধনা তেমন তেমনই ছড়িয়ে পড়েছিল। আবার মধ্যযুগের ইউরোপে মূল ক্ষমতাকেন্দ্র ছিল ক্যাথলিক চার্চ। শত অনৈক্যের মধ্যেও পোপতন্ত্র ইউরোপে ক্ষমতার ভারসাম্য ধরে রেখেছিল। পোপ যে কাউকে এমনকি যে কোন সম্রাটকে ধর্মত্যাগী বলে ঘোষনা করতে পারতেন। পোপের এই ঘোষনার পর সেই রাজার পতন অনিবার্য ছিল। ক্যাথলিক চার্চের এই বিপুল ক্ষমতার পিছনে থাকত ইউরোপের মানুষের খৃষ্ট ও বাইবেল বিশ্বাস, চার্চের সিদ্ধান্তকে ঈশ্বরের সিদ্ধান্ত হিসাবে মান্যতাদান।
আরবরা যখন সপ্তম শতকে রোমানদের তাড়িয়ে প্রথমে মধ্যপ্রাচ্য ও তার কিছুদিন পরে উত্তর আফ্রিকা জয় করল তাদের সামরিক শক্তি যথেষ্ট থাকলেও কোন রাজনৈতিক ধর্মদর্শন (political Theology) ছিল না। রাজনৈতিক ধর্মতত্ব মধ্যযুগে সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখার আবশ্যিক উপাদান হিসাবে পরিগণিত হত। খিলাফৎ প্রতিষ্ঠার প্রথম দিন থেকেই অভ্যান্তরীন অন্তর্দন্দ্ব ছিল নিত্যসঙ্গী। ইসলামী বিবরণেই দেখা যায় আদব আল-মালিকের আমলে হেজ্জাজের আধিপত্য চলে যায় বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হাতে। তার সাথে ছিল বর্হিশত্রুর আক্রমনের আশঙ্কা। কারণ বাইজানটাইন সাম্রাজ্য দুর্বল হলেও গেলেও তা ধংস হয়ে যায় নি। খিলাফতের প্রজাদের মধ্যে বেশীরভাগই ছিল ক্যাথলিক খৃষ্টান, তাদের স্বাভাবিক আনুগত্য ছিল বাইজানটাইন সাম্রাজ্যের প্রতি। কারণটা খুব সোজা- বাইজানটাইন সম্রাট হলেন খৃষ্টীয় ঈশ্বরের প্রতিনিধি; তার অনুগত হওয়া প্রত্যেক সৎ খৃষ্টানের কর্তব্য। সাম্রাজ্যের পূর্ব অংশে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল পারস্যের অগ্নি উপাসকদের। তাদেরও ছিল নিজস্ব রাজনৈতিক ধর্মদর্শন: জরাথুষ্ট্রবাদ। সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখতে গেলে খলিফাদেরও অনুরূপ একটি ধর্মের মূলো প্রয়োজন ছিল। শুধু অনুরূপ ধর্ম হলেই চলত না এই নতুন ধর্মকে ক্যাথলিক খৃষ্টধর্ম ও জরাথুষ্ট্রবাদের থেকে অধিক আগ্রাসী, অধিক আত্বসচেতন, অধিক একেশ্বরবাদী হতে হত।
ঐতিহাসিক উৎসে মুহম্মদের উল্লেখ অনির্দিষ্ট এমনকি পরস্পরবিরোধীও। এর থেকে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা কঠিন। ঘটনা যাই হোক না কেন মনে হয় সপ্তম শতাব্দীর শেষ দিক থেকে উমাইয়ারা এই যুদ্ধবাজ নবীকে সামনে আনতে শুরু করে। কারণ সাম্রাজ্য রক্ষায় ধর্মের গুরুত্ব ততদিনে তাদের সামনে পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল। এই নতুন ধর্মের কেন্দ্রীয় চরিত্রকে যুদ্ধবাজ হতেই হত কারণ তা ছাড়া খলিফাদের সম্প্রসারণবাদী রাষ্ট্রনীতির কোন বৈধতা দেওয়া যেত না। খিলাফতের মূল শক্তি ছিল আরব উপজাতিরা-যারা সম্ভবত কোনরকম শিথিল খৃষ্টধর্মের সাথে যুক্ত ছিল, দ্বাদশ পর্বে এই খৃষ্টধর্মের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। অতএব নবীর আরব উপজাতি পরিচয় ছিল আবশ্যিক, তাকে অবশ্যই মরুভূমির বহু ভিতরের কোন এক অঞ্চলের বাসিন্দা হতে হত। কিংবদন্তী ইতিমধ্যেই তৈরী হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু পূর্নাঙ্গ ধর্ম হিসাবে গৃহীত হতে গেলে দরকার ছিল বাইবেলের মত একটি ধর্মগ্রন্থ। এইজন্যই কোরানে বারবার সম্পাদনার চিহ্ন পাওয়া যায়। পুরাতন খৃষ্টীয় স্তোত্তকে নবীন কিংবদন্তীর সাথে মিলিয়ে নিতে যে যথেষ্ট কসরত করতে হয়েছিল তাতে কোন সন্দেহই নেই।
বহু ঐতিহাসিক মক্কা ও মদিনা থেকে ইসলামের উদ্ভবের কাহিনীতে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। বিস্তারিত দ্বিতীয় পর্বে আলোচনা করা হয়েছে। প্যাট্রিশিয়া ক্রোন সম্ভাব্য উৎপত্তিস্থল হিসাবে প্যালেষ্টাইনের নাম করেছেন। প্যালেষ্টাইনকে ইসলামিক ধর্মতত্বে যে মারাত্বক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তার দিকে তাকালে এই মতামত বিশেষ অবাস্তব বলেও মনে হয় না।